Bengali News Express-Discover News In Bengali

Bengalinewsexpress.ooo-This is a Bengali news website, you will find entertainment news such as Bollywood,Tollywood,Hollywood. sports news such as football kabaddi cricket and other sports news updates every day, new news updates, and baking news updates in the country and worald news. Here you will find technologies such as mobile internet computer And other all the latest technology news.

LightBlog

Breaking

Sunday, 22 July 2018

July 22, 2018

এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সময়সূচী 2018

এশিয়া কাপ ক্রিকেটের সময়সূচী 2018

ক্রিকেট মানেই একটা আনন্দ উৎসব আর সেই আনন্দ উৎসবে শামিল হয় সাধারণ মানুষ থেকে জনপ্রিয় মানুষেরা। এবছর এশিয়া কাপের অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ভারতে কিন্তু পাকিস্তানের অসহযোগিতার কারণেই ভারত থেকে এশিয়া কাপের আসর সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। 

গতবছর এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া বাংলাদেশকে হারিয়ে গতবছর এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হয় ইন্ডিয়ান টিম। গত বছর এশিয়া কাপে 15 জনের একটা টিম ইন্ডিয়া ক্রিকেটের জন্য প্রতিনিধিত্ব করেছিল এদের মধ্যে ছিল ধোনি (সি, উইক),রবিচন্দ্রন অশ্বিন, জাসপ্রিত বুম্রা, শিখর ধাওয়ান, রবীন্দ্র জাদেজা, বিরাট কোহলি, ভুবনেশ্বর কুমার, পবন নেগি, আশিষ নেহারা, হার্ডিক পান্ডা, পার্থিব প্যাটেল, অজিঙ্ক্য ,রাহানে, সুরেশ রায়না, মোহাম্মদ শামি, রোহিত শর্মা হরভজন সিং, যুবরাজ সিং। 

গত এশিয়া কাপে পাচটি  দল প্রতিনিধিত্ব করেছিল। সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ।সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ প্রথম দিনেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।কই দিন ভিন্ন ভেন্যুতে আরেক ম্যাচে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত দল। 

গ্রুপ পর্বে একে অন্যের বিপক্ষে খেলার পর দুই গ্রুপ থেকে সেরা চার দল উঠবে সুপার ফোরে। সুপার ফোরেও হবে একে অন্যের সঙ্গে লড়াই। তাতে  সেরা দুই দল খেলবে ফাইনালে। 

এশিয়া কাপের প্রথম ১২টি আসর ওয়ানডে সংস্করণে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১৬ সালের ১৩তম আসরটি প্রথম টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়। ওই আসরে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। এবার টুর্নামেন্টে ১৪তম আসর অনুষ্ঠিত হবে। এশিয়ার ছটি দল সরাসরি অংশ নিচ্ছে এই টুর্নামেন্টে। 

২০১৬ সালের ১৩তম আসরটি প্রথম টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়। কারণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে থাকায় ১৩তম আসর হয় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের। এক আসর পর টুর্নামেন্ট ফিরে যাচ্ছে আবার ওয়ানডে ফরম্যাটে। 

গ্রুপ ‘এ’ তে আছে ভারত, পাকিস্তান ওসংযুক্ত আরব আমিরাত। আর গ্রুপ ‘বি’তে আছে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। 

এশিয়া কাপ 2018 টিম প্লেয়ার-

ইন্ডিয়ান টিম- রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, কেদার জাদভ, হার্ডিক পান্ডা, মনিশ পান্ডে M.S. ধোনি, দিনেশ কার্তিক, অজিঙ্ক্য রাহানে, জাসিপ্রীত বুমরা, ভভেশ্বর কুমার, জয়দেব, উদ্যানকাত, অজুভেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব। 

পাকিস্তান দল- সরফরাজ আহমেদ, মোহাম্মদ আমির, উমর আকমল ,শাদাব খান, আহমেদ শেহজাদ, শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ হাফিজ, বাবর আজম, ওয়াহাব রিয়াজ, আজহার আলী, শারজিল খান, হাসান আলী
মোহাম্মদ ইরফান, ইয়াসির শাহ, ইমাদ ওয়াসিম, জুনায়েদ খান। 

শ্রীলঙ্কা দল- অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, লাসিথ মালিঙ্গা, দিনেশ চান্দিমাল, রঙ্গনা হেরাথ, উপুল থারাঙ্গা, ইশারা পেরেরা, কামাল, মেন্ডিস, সুরঙ্গ লাকমাল, কুশ পেরেরার, আসলা গুণরাত্নে, ডনুশকা, গুনারাথনে, দীমুথ করুনারত্নে। 

বাংলাদেশ দল- তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মেহেনী হাসান, মোস্তফা মরহুম ,মুস্তফী রহিম, মুস্তাফিজুর রহিম ,সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, রুবেল হোসেন
মোসাদ্দেক হোসেন। 


আফগানিস্তান দল- রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, মোহাম্মদ শাহজাদ, আসগার স্ট্যানিকজাই, সামিউল্লাহ।, দুলাত জারদান, শাপুর জাদরান, নাজিবুল্লাহ, রহমত শাহ, গুলবদীন নায়েব, হামিদ হাসান, নওরোজ নংল। 

সংযুক্ত আরব আমিরাত টিম- শায়মান আনোয়ার, রোহান মুস্তাফা, আমজাদ জাভেদ, মোহাম্মদ নাভিদ, স্বপনীল পাটিল, মোহাম্মদ তৌকির, আহমেদ রাজা, খুররম খান, আমজাদ আলী, শেক্সিলেন হায়দার, সাকিব আলী, মনজুলা গুরুজি। 

এশিয়া কাপ 2018 পূর্ণ সময়সূচি ও তালিকা-

15 সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২ টা অপরাহ্ন ভারত বনাম পাকিস্তান শারজা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম, শারজা
16 সেপ্টেম্বর ২018 দুপুর ২ টা শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ আইসিসি ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম, দুবাই
17 সেপ্টেম্বর ২018 দুপুর ২:00 টা আফগানিস্তান বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাত আল জাজির মোহাম্মদ বিন জায়েদ স্টেডিয়াম, আবুধাবি
18 সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২:00  টায় ভারত ভিক্টোরিয়া শ্রীলংকা দুবাই ক্রিকেট কাউন্সিল গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম, দুবাই
19-সেপ্টেম্বর -২018 ২ টায় পাকিস্তান উইস বাংলাদেশ শারজাহ ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়াম, শারজা
২0 সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২:00 টায় ভারত বনাম আফগানিস্তান আইসিসি ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম, দুবাই
২1 সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২:০০ টা পাকিস্তান বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাত আল-জাজির মোহাম্মদ বিন জায়েদ স্টেডিয়াম, আবুধাবি
২২ সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর  ২:00 টায় ভারতের বিপক্ষে দুবাই ক্রিকেট কাউন্সিল গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম, দুবাই
২3 সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২ টা শ্রীলঙ্কা বনাম পাকিস্তান শারজা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম, শারজা
২4 সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২:00 টা  অপরাহ্ন ভারত বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাত আইসিসি ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম, দুবাই
২5 সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২:00 টা আফগানিস্তান বনাম পাকিস্তান আল-জাজিরা মোহাম্মদ বিন জায়েদ স্টেডিয়াম, আবুধাবি
২6 সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২:০০ টা  বাংলাদেশ বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই ক্রিকেট কাউন্সিল গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম, দুবাই
27-সেপ্টেম্বর -২018 ২:০০টায় TBA বনাম  টিবিএ {কোয়ালিফায়ার -1) শারজাহ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম, শারজা
২8-সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২:০০ টায় TBA বনাম টিবিএ {কোয়ালিফায়ার -২} আইসিসি ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম, দুবাই
30-সেপ্টেম্বর -২018 দুপুর ২:00 টা শেষ-টিবিএ (প্রঃ 1 বিজয়ী) বনাম টিবিএ (ক -২ বিজয়ী) আল-জাজির মোহাম্মদ বিন জায়েদ স্টেডিয়াম, আবুধাবি




Friday, 13 July 2018

July 13, 2018

বেস্ট ৩টি ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন: Google File Go Vs Xender Vs Shareit

বেস্ট ৩টি ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন: Google File Go Vs Xender Vs Shareit


অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের প্রায় সবাই তাঁদের ফোনে কোনও না কোনও ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন তাঁরা মূলত ব্যবহার করেন হয় শেয়ারইট কিংবা জেন্ডার। আজ আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে যাচ্ছি ৩টা বেস্ট ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন যে এপ্লিকেশন গুলি এখনো পর্যন্ত বেস্ট ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন হিসাবে পরিচিত 
বেস্ট ৩টি ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন: Google File Go Vs Xender Vs Shareit

1.File Go By Google-----
এখন আর কেউ অপরিচিত নেই ফাইল গো এপ্লিকেশন নিয়ে যেটি গুগল ডেভলপ করেছে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া সহ এশিয়ার ও দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশে ইন্টারনেট স্পিড ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলির তুলনায় অনেকটাই কম। 

তা ছাড়া এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলিতে অধিকাংশ লোক লো-এন্ড মোবাইল ফোন অর্থাৎ লো-স্পেসিফিকেশনের ফোন ব্যবহার করে। ওই দেশগুলিতে লো-এন্ড মোবাইল ফোনগুলির জন্য গত বছর গুগল লঞ্চ করেছিল তাদের Go সিরিজের একাধিক অ্যাপ। 

গত বছর গুগল  যে অ্যাপগুলি লঞ্চ করেছিল সেগুলির মধ্যে অন্যতম হল Files Go অ্যাপ। লো-এন্ড মোবাইল ফোনে যদি হেভি অ্যাপ অর্থাৎ যে অ্যাপগুলির মেমরি সাইজ খুব বেশি, সেগুলি ইনস্টল করা হয় তবে সেই অ্যাপগুলি ঠিকঠাক কাজ করে না। অনেক সময় ফোন হ্যাং করে। তাই Go সিরিজের অ্যাপগুলি লাইট অ্যাপ। Files Go অ্যাপটিও একটি লাইট অ্যাপ। এই অ্যাপটির সাইজ মাত্র ৮.2 MB। 

এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা ফাইল শেয়ার করার জন্য কোন না কোন ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে যেমন জেন্ডার বা শেয়ার ইট, একই রকম এটি হল একটি ফাইল শেয়ার করার জন্য উন্নত মানের একটি এপ্লিকেশন যেটি গুগল তৈরি করেছে। 

শেয়ারইট বা জেন্ডার মূলত ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ কিন্তু গুগলের Fiels Go একটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ অর্থাৎ এর মাধ্যমে আপনি একদিকে যেমন ফোনে ফাইল ম্যানেজমেন্টের যাবতীয় কাজ করতে পারবেন, তেমনি এর সাহায্যে অফলাইনে মোবাইল টু মোবাইল ফাইল শেয়ারিংও করতে পারবেন
⇨ফাইল গো এপ্লিকেশন এর কিছু বিশেষ ফিচার-----

১.অফলাইন ফাইল শেয়ারিং---

এর অফলাইন ফাইল শেয়ারিং বা ফাইল ট্রান্সফার ফিচার। এই অপশনটি অবশ্য নতুন নয়। গতবছর গুগল যখন এই অ্যাপটি রিলিজ করেছিল, তখনই এর মধ্যে শেয়ারিং ফিচারটি ছিল। এই ফিচারের সাহায্যে শেয়ারইট বা জেন্ডার অ্যাপের মতো Files Go অ্যাপের সাহায্যেও এক ফোন থেকে অন্য ফোনে অফলাইনে ফাইল ট্রান্সফার করা সম্ভব। কিন্তু এবছর সেই ফিচারটি অনেকগুণ উন্নত করেছে গুগল। 

শেয়ারইট অ্যাপের সাহায্যে আপনি অফলাইনে (অর্থাৎ ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া) এক ফোন থেকে অন্য ফোনে সর্বোচ্চ ২০ MBps (প্রতি সেকেন্ডে ২০ MB) স্পিডে ফাইল ট্রান্সফার বা শেয়ার করতে পারবেন। অন্যদিকে জেন্ডার অ্যাপের সাহায্যে আপনি সর্বোচ্চ ৪০ MBps স্পিডে ফাইল শেয়ার করতে পারবেন। 

কিন্তু গুগলের Files Go অ্যাপের ফাইল শেয়ারিং স্পিড শেয়ারইট বা জেন্ডারের তুলনায় অনেক গুণ বেশি Files Go অ্যাপের শেয়ারিং স্পিড শেয়ারইট বা জেন্ডার অ্যাপের তুলনায় -নে- বেশি করেছে গুগল সেই স্পিড কত জানেন? ৪৯০ MBps! এই স্পিড শেয়ারইট অ্যাপের তুলনায় প্রায় ২৫ গুণ এবং জেন্ডার অ্যাপের তুলনায় প্রায় ১২ গুণ বেশি! তাহলেই বুঝুন কত দ্রুত গুগলের এই অ্যাপের সাহায্যে অফলাইনে ফাইল শেয়ার করা সম্ভব 
২.এনক্রিপশন ফিচার--------
শুধু তাই নয়, গুগলের এই অ্যাপে রয়েছে বিশেষ WPA2 এনক্রিপশন ফিচার। অর্থাৎ এই অ্যাপের সাহায্যে আপনি যখন আপনার ফোন থেকে অন্য কারও ফোনে কোনও ফাইল শেয়ার করবেন, তখন অ্যাপটি সেই ফাইলটিকে এনক্রিপটেড করে পাঠাবে, ফলে অন্য কারও পক্ষে হ্যাক করে জানা সম্ভব নয় আপনি কাকে কী ফাইল শেয়ার করছেন 

৩.পুরানো ভার্সনেও সাপোর্ট---------
আর একটি সুবিধা হল এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েডের অনেক পুরানো ভার্সনেও কাজ করবে। অ্যাপটিকে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ (ললিপপ) এবং তার পরবর্তী সমস্ত ভার্সন সাপোর্ট করে।

৪. স্টোরেজ -----
এই অ্যাপটির সাহায্যে আপনি ফোনের স্টোরেজ স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন অর্থাৎ আপনার ফোনের মেমরিতে এবং SD কার্ডের মেমরিতে কতটা স্পেস ফ্রি আর কতটা ফুল তা দেখতে পারবেন

৫.ব্যাকাপ-----
ফোনে স্টোর করা ফাইলগুলিকে গুগল ড্রাইভ বা অন্য কোনও ক্লাউড স্টোরেজে স্টোর করার জন্য এই অ্যাপে আলাদা অপশন রয়েছে

৬.ডুপ্লিকেট ফাইল  ডিলিট------
এই অ্যাপের সাহায্যে হোয়াটস্অ্যাপ সহ অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপের চ্যাট হিস্ট্রি এবং সেই মেসেজিং অ্যাপগুলির মাধ্যমে ফোনে ডাউনলোড হওয়া ইমেজ সহ মাল্টিমিডিয়া ফাইল, ডুপ্লিকেট ফাইল ইত্যাদি ডিলিট করতে পারবেন। এছাড়া ফোনের আনইউজড্ অ্যাপ অর্থাৎ যে অ্যাপগুলি ফোনে ইনস্টল করেছেন কিন্তু ব্যবহার করেন না, সেই অ্যাপগুলিও ডিলিট করতে পারবেন। 

2.Xender-----
বেস্ট ৩টি ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন: Google File Go Vs Xender Vs Shareit


জেন্ডার অতিপরিচিত একটি ফাইল শেয়ার অ্যাপ্লিকেশন যে সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের মোবাইলে দেখা যায়। বেস্ট ৩টি ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন এরমধ্যে জেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন টিকে দ্বিতীয় নাম্বারে রাখা হয়েছে। 

এখনো পর্যন্ত জেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন টি ফাইল গো এপ্লিকেশন এর থেকে অনেক বেশি ব্যাবহারকারি  জেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন ইউজ করে কিন্তু জেন্ডার অ্যাপ্লিকেশনটি  কিন্তু  ফাইল গো  তুলনায় যথেষ্ট স্লো। জেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন টি মাত্র 40 mbps স্পিড এ ফাইল সেন্ড বা  রিসিভ করতে পারে। জেন্ডার অ্যাপ্লিকেশনটির বিশেষ কিছু ফিচার নেই। 

এছাড়া অ্যাপ্লিকেশনটিতে এইসব ভাষা সাপোর্ট করে, ইংরেজি, আরবি, বাংলা, চীন , গ্রিক, হাঙ্গেরিয়ান, ইন্দোনেশিয়ান, ইতালীয়, জাপানীজ, কোরিয়ান, মালয়, থাই, তুর্কি, হিন্দি, জার্মান, পোলিশ, পর্তুগিজ, স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, ভিয়েতনামিজ ইত্যাদি। 
বেস্ট ৩টি ফাইল শেয়ারিং এপ্লিকেশন: Google File Go Vs Xender Vs Shareit

3. Shareit-------
নেট দুনিয়ার প্রথম ফাইল ট্রান্সফার অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে শেয়ারইট এর আবির্ভাব ঘটে ২০১৫ সালে এনিশেয়ার নামে, কিন্তু ২০১৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় শেয়ারইট। 

তখন থেকে নেট দুনিয়ায় বেশ একটা জায়গা করে নিয়েছে শেয়ারইট কিন্তু জেন্ডার আসার পরে শেয়ার ইট এর চাহিদা টা একটু হলেও কমে যায়, দিন যত যাচ্ছে টেকনোলজি উন্নত হচ্ছে আর মানুষ উন্নত টেকনোলজির দিকে ঝুকে পড়ছে।

এখনকার মানুষ উন্নত টেকনিক্যাল যুক্ত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে চায় কিন্তু শেয়ারইট যুগের সাথে তাল না মেলাতে পেরে নিজের জায়গা থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে জেন্ডার আসার পরে শেয়ারইট এর চাহিদাটা ক্রমশ কমেই চলছে।

শেয়ারইট মাত্র ২০Mbps স্পিডে ফাইল রিসিভ এবং সেন্ট করে জেন্ডার তুলনায় অর্ধেক আর ফাইল গো অ্যাপ্লিকেশনের তুলনায় একশ ভাগের এক ভাগ। 

শেয়ারইট কিছু নতুন ফিচার লঞ্চ করেছে যেগুলি হলো offline music offline video এবং নতুন নতুন trending music অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে আপনারা খুঁজে পাবেন কিন্তু শেয়ারইট এর মূল কাজ ছিল File সেন্ট  এবং রিসিভ করা যেটাতে শেয়ারইট এখন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে।

শেয়ারইট iSO অপারেটিং সিস্টেম, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম, এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে জেন্ডার এর মত শেয়ারইট অনেক দেশের ভাষা সাপোর্ট করে ।

তিনটি ফাইল শেয়ার অ্যাপ্লিকেশন এই ভালো কিন্তু সদ্য লঞ্চ হওয়া গুগল ফাইল গো  অ্যাপ্লিকেশনটি, এই দুইটি এপ্লিকেশন জেন্ডার এবং শেয়ারইট থেকে অনেকটাই ভালো বলে মনে করছে নেট দুনিয়ার টেকনিশিয়ানরা। 

Saturday, 30 June 2018

June 30, 2018

গুগল জিমেইল এর এই নতুন ফিচার গুলি দেখলে আপনি অবাক হবেন!

গুগল জিমেইল এর এই নতুন ফিচার গুলি দেখলে আপনি অবাক হবেন!

আমরা প্রায় সবাই গুগলের জিমেল ব্যবহার করে থাকি, আমরা হয়তো জানিনা যে গুগল তাদের জিমেলে অনেক নতুন নতুন আপডেট এনেছে। গুগল জিমেইল এর এই নতুন ফিচার গুলি দেখলে আপনি হয়তো স্থি অবাক হবেন! শুধু নতুন ফিচার আনাই নয়, জিমেলের ইনবক্স ইন্টারফেসও এখন আর আগের মতো নেই, সেটাও পালটে ফেলেছে গুগল। প্রায় পাঁচ বছর পর গুগল তাদের অন্যতম বড় প্রোডাক্ট জিমেলে একসঙ্গে এত চেঞ্জ নিয়ে এল।

⇒ নতুন জিমেল কীভাবে এনাবেল করবেন?

প্রথমে বলি কীভাবে নতুন জিমেল ইউজার ইন্টারফেস এবং ফিচার এনাবেল করবেন। ডেস্কটপ কম্পিউটারে প্রথমে নিজের জিমেল অ্যাকাউন্টে সাইনইন করুন। এবার স্ক্রিনের উপর ডানদিকে গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন। গিয়ার আইকনে ক্লিক করার পর একটি মেনু লিস্ট ওপেন হবে।

গুগল জিমেইল এর এই নতুন ফিচার গুলি দেখলে আপনি অবাক হবেন!


সেই লিস্টের একেবারে উপরে রয়েছে ‘Try the new Gmail’ অপশন। সেই অপশনে ক্লিক করুন। কয়েক মিনিট পর আপনার ডেস্কটপে জিমেলের নতুন ইন্টারফেস শো করবে।

এই নতুন ইন্টারফেসে আগের ইন্টারফেসের তুলনায় অনেকটাই বড়নতুন ইন্টারফেস ওপেন হওয়ার পর ডেস্কটপের ডান দিকের প্যানেলে একাধিক নতুন বাটন আপনার চোখে পড়বে

যেমন‘Calendar’, ‘Keep’ এবং ‘Tasks’ এছাড়া সেখানে দেখতে পাবেন একটি প্লাস সাইন। সেটিতে ক্লিক করলে একটি নতুন উইনডো ওপেন হবে। সেখানে রয়েছে একাধিক অ্যাডঅন অর্থাৎ অ্যাপ, যেগুলির সাহায্যে আপনি জিমেলে নানা বিশেষ সুবিধা পাবেন যেমন, আপনি যাঁকে মেল পাঠিয়েছেন, তিনি সেই মেলটি কবে কখন ওপেন করে পড়েছেন তা জানতে পারবেন, কিংবা কারও মেল পেয়েছেন কিন্তু উত্তর দেওয়ার সময় নেই, আপনার হয়ে অ্যাডঅন রিপ্লাই দিয়ে দেবে ইত্যাদি


আপনি যখন ইনবক্সের মেল লিস্টে নির্দিষ্ট কোনও মেলের উপর যখন মাউজের কার্সার রাখবেন তখন মেলের পাশে চারটি অপশন শো করবে। সেগুলি হল ‘Archive’, ‘Delete’, ‘Mark as read’ এবং‘Snooze’। প্রথম তিনটি অপশন আগের ইন্টারফেসেও ছিল।

কিন্তু‘Snooze’ অপশনটি নতুন। ধরুন আপনি কোনও মেল পেলেন, কিন্তু সেই মুহূর্তে আপনার হাতে সময় নেই মেলটির উত্তর দেওয়া। ঠিক করলেন যে, পরে উত্তর দেবেন। কিন্তু অনেক সময় আমরা পরে উত্তর দিতে ভুলে যাই। এই সমস্যার সমাধান করবে ‘Snooze’অপশন।

এই অপশনে ক্লিক করলে আপনি সেই বিশেষ মেলটিকে কত ঘণ্টা বা কতদিনের জন্য ‘Snooze’ করবেন তা সিলেক্ট করতে পারবেন। ধরুন আপনি ঠিক করলেন আপনি  বাহিরের কাজ শেষ করে রাত টা নাগাদ মেলটির উত্তর দেবেন। সেক্ষেত্রে‘Snooze’ অপশনের মাধ্যমে রাত টা সিলেক্ট করলে মেলটি আপনার ইনবক্স থেকে তখনকার মতো মুছে যাবে কিন্তু ঠিক রাত টা নাগাদ সেই মেলটি ফের আপনার ইনবক্সে আবার শো করবে এবং আপনাকে উত্তর দেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেবে।

আরও একটি গুরত্বপূর্ণ সিকিউরিটি ফিচার নতুন জিমেল ইন্টারফেসে রয়েছে। যদি আপনার ইনবক্সে আসা কোনও মেলে ভাইরাস রয়েছে বা সন্দেহজনক লিঙ্ক রয়েছে বলে গুগলের সিকিউরিটি ফিচার মনে করে, তা হলে সেই মেল ওপেন করতে গেলে লাল রঙে ওয়ার্নিং মেসেজ শো করবে — ‘This message seems dangerous’ এবং সেই ওয়ার্নিংয়ের নীচে মেলটি ডিলিট করার জন্য‘Delete now’ বাটন থাকবে।

এছাড়া আরও একটি নতুন ফিচার জিমেলে অ্যাড করা হয়েছে। সেটি হল ‘Nudge’ এই ফিচারটি AI বেসড। অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে এই ফিচারটি কাজ করে। ধরুন আপনার বন্ধুর পাঠানো একটি মেল সাত দিন হল ইনবক্সে এসে পড়ে রয়েছে কিন্তু আপনি উত্তর দেননি। 

সেক্ষেত্রে এই ফিচারটি ইনবক্সের লিস্টে সেই মেলের পাশে মেসেজ শো করবে — ‘Received 7 days ago. Reply?’ কিংবা ধরুন, কাউকে সাত দিন আগে মেল পাঠিয়েছেন, কিন্তু এখনও কোনও রিপ্লাই পাননি, সেক্ষেত্রে এই ফিচারটি আপনার সেন্ট মেলের পাশে মেসেজ শো করবে — ‘Sent 7 days ago. Follow up?’

নতুন জিমেল ইন্টারফেসের ‘Confidential mode’ ফিচারটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হইচই হচ্ছে বা যে ফিচারটি অত্যন্ত বিতর্কিত কেন বিতর্কিত, কেন হইচই হচ্ছে, সেটা নিয়ে এখন আলোচনা করবো -

⇒ Confidential mode (কনফিডেনটিয়াল মোড)

এই মোড ব্যবহার করে আপনি যদি কাউকে কোনও মেল পাঠান, তবে সেই ব্যক্তি মেলটি পড়তে পারবেন, কিন্তু মেলটি কপি করতে পারবেন না, কাউকে ফরওয়ার্ড করতে পারবেন না, মেলটির প্রিন্ট আউট নিতে পারবেন না, এমনকী মেলটির সঙ্গে কোনও অ্যাটাচমেন্ট ফাইল থাকলে সেটি ডাউনলোড করতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, মেলটি একটি নির্দিষ্ট সময় পর নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে যাবে।

⇒ কনফিডেন্সিয়াল মোড কিছু বৈশিষ্ট্য-

1. ভেরিফিকেশন ফিচার⇨

কনফিডেনশিয়াল মোডে কাউকে মেল পাঠানোর সময় আপনি টু স্টেপ ভেরিফিকেশন ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ যাঁকে মেলটি পাঠাবেন, তাঁর মেলটি পড়তে হলে OTP (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) প্রয়োজন হবে।

2. টাইম সেট করুন
কনফিডেনশিয়াল বাটনে ক্লিক করলে ‘Set Expiration’ অপশন আসবে। মেলটির এক্সপায়ারি ডেট কী হবে (অর্থাৎ পাঠানোর কতদিনের মধ্যে মেলটি নিজে থেকে ডিলিট হয়ে যাবে) তা সিলেক্ট করার অপশন হল এটি। এক্সপায়ারি ডেট সবচেয়ে কম ১ দিন এবং সবচেয়ে বেশি ৫ বছর সেট করতে পারবেন।

 3. রিমুভ অ্যাকসেস অপশন

ধরুন আপনি ভুল করে যাকে মেল্ পাঠাবেন তাকে নাপাটিয়ে অন্য একজনকে পাটিয়ে ছেন, তবে ইনবক্সের সেন্ট মেল অপশনে গিয়ে সেই নির্দিষ্ট মেলটিতে ক্লিক করুন। এবার সেখানে দেখবেন‘Remove Access’ অপশন রয়েছে। সেই অপশনে ক্লিক করলে ভুল করে যাঁকে মেলটি পাঠিয়েছেন সেই ব্যক্তি কোনওভাবেই মেলটি ওপেন করতে পারবেন না।

 4. টু স্টেপ ভেরিফিকেশন

টু স্টেপ ভেরিফিকেশনের জন্য ‘Require Passcode’ অপশনের নীচে‘sms passcode’ অপশনটি সিলেক্ট করার পর যাঁকে মেলটি পাঠাচ্ছেন তাঁর মোবাইল ফোন নম্বর আপনাকে টাইপ করতে হবে। সেই ব্যক্তি যখন আপনার পাঠানো মেলটি ওপেন করতে যাবেন, তখন গুগল সার্ভার থেকে তাঁর ফোনে OTP যাবে। সেই OTP ইনপুট করার পরেই সেই ব্যক্তি আপনার পাঠানো মেলটি ওপেন করতে পারবেন।